#https://www.youtube.com/@mntvjashore3078

সূর্যের খরতাপে চরম দুর্ভোগে রোযাদার ও খেটে খাওয়া মানুষ

 সূর্যের খরতাপে চরম দুর্ভোগে রোযাদার ও খেটে খাওয়া মানুষ 


আব্দুল্লাহ আল মামুন::

পাতাঝরা বসন্তের বিদায় সন্নিকটে হওয়ায় উঁকি দিচ্ছে গ্রীষ্ম। এর মধ্যেই দেশজুড়ে বয়ে চলেছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ আর এই তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মনিরামপুরসহ আস-পাশ অঞ্চলের মানুষের জনজীবন। সূর্যের খরতাপে সবচাইতে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। এছাড়া তীব্র গরমে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য সিয়াম সাধনা কঠিন হয়ে উঠেছে। আপাতত বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা না থাকায় সহসাই কাটছে না এমন পরিস্থিতি বলে ধারণা করা যাচ্ছে। 


যশোর শহর নোয়াপাড়া অভয়নগর মনিরামপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থায় রয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মহাসড়কে পর্যাপ্ত গাছ আর ছায়াযুক্ত স্থান না থাকায় রোদের উত্তাপ থেকে রেহাই মিলছে না তাদের। রোজাদারদের শুষ্কতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে এই কাঠ ফাটা রোদ। এছাড়া দীর্ঘ যানজট যেন গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতো যন্ত্রণায় ফেলছে মানুষের। 


কথা হয় কয়েকজন ভ্যান চালকের সাথে তারা বলেন, রোদের তাপ যেন গায়ে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে, রোদের তাপে যেন রাস্তায় পিচ গলে যাচ্ছে এর আগে এতটা গরম মনে হয়নি। এই গরমে রোজা রাখতে সবচেয়ে বেঁশি কষ্ট হচ্ছে দুপুরের মধ্যেই গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে সারাদিন পার করা খুব কঠিন হয়ে পড়ছে।


এছাড়াও কঠিন খরার মধ্যে কাজ করতে হয় ভাটার শ্রমিকদের, তীব্র খরতাপের মধ্যে কিভাবে কাজ করছে তারা এবিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, ভাটার শ্রমিক এমনিতে ভাটায় অনেক গরম থাকে তার মধ্যদিয়ে এতটা গরম পড়ছে কিছুক্ষণ পর-পর ছায়া যুক্ত স্থানে বসে নিজেদের শরীরকে আরাম দেওয়ার চেষ্টা করছি কিন্তু কোথাও যেন ঠান্ডা হাওয়া নাই। গরমের জন্য রোজাও রাখা সম্ভব হচ্ছে না একটু বৃষ্টি হলে অনেক ভালো লাগতো।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে এখন বৃষ্টি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বুধবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে ঢাকাসহ খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগসহ দিনাজপুর, নীলফামারী, কুঁড়িগ্রাম এবং নেত্রকোনা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। এমনকি দিনের তাপমাত্রা বাড়বে।

Post a Comment

Previous Post Next Post