#https://www.youtube.com/@mntvjashore3078

রূপসায় বিনা অপরাধে হাফেজ পড়ুয়া ছাত্র কে পিটিলো বড় হুজুর-news pen voice

 রূপসায় বিনা অপরাধে হাফেজ পড়ুয়া ছাত্র কে পিটিলো বড় হুজুর



আজিজুল ইসলাম, খুলনা প্রতিনিধি।


রূপসায় হাফেজ পড়ুয়া ছাত্র (১২) কে, বড় হুজুরের বেদম মারপিটে মারাত্মক আহত হয় ছাত্র। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ডাক্তারি চিকিৎসা চলছে।


ঘটনাটি ঘটেছে রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন গয়সারগাতী গ্রামের হাজী আক্কাছ সরদার হাফিজিয়া মাদ্রাসা (এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং) এ। 


ঘটনার বর্ণনা দেন অভিভাবক ভদ্রগাতি গ্রামের মো. মাসুম শেখ। তিনি বলেন, আমার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান আলভি (১২)। সে এই মাদ্রাসায় প্রায় ২ বছর যাবৎ পড়ার মধ্যে বর্তমানে ১০ পারা হেফজ পড়েছে। তাকে বিশেষ প্রয়োজনে, একদিনের ছুটি করাতে মাদ্রাসায় গত ১৮ আগষ্ট যাই। তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত বড় হুজুরকে না পেয়ে ছোট হুজুরের নিকট বলে আসি যে, গত ১৯ আগষ্ট মোস্তাফিজুর রহমান আলভিক একদিনের ছুটি দেওয়ার জন্য। তারপর ছেলে ওই ছুটির দিন সকালের দিকে বাড়ি চলে আসে। 


এরপর ছুটির দিন শেষ করে পূনরায় গত ২০ আগষ্ট সকালে  মোস্তাফিজুর রহমান আলভি (১২) মাদ্রাসায় গেলেই বড় হুজুর হাফেজ মো. মনিরুজ্জামান এর কক্ষে, ছাত্রকে ডেকে নিয়েই অমানুষিকভাবে বেদম মারপিটে আহত করে। তারপর ছেলে মার খেয়ে বাড়ি এসে বলে তোমরা আমাকে কেমন ছুটি করিয়েছ। আমি নাকি মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়েছি এই বলে বড়হুজুর আমাকে পিটিয়েছে। আমি আর ওই মাদ্রাসায় পড়বো না।


উল্লেক্ষিত বিষয়ে শিক্ষক; বড় হুজুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান আলভি মাঝে মধ্যে মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়ে থাকে। তাই সে এদিনেও ফাঁকি দিয়েছে এমনটা মনে করে আমি ওকে শাসন করেছি, কিন্তু ওর পিতা ছোট হুজুরের নিকট হতে ছুটি নিয়েছে তা আমি জানিনা। 


মাদ্রাসা এলাকায় সাংবাদিকদের দেখে দীর্ঘকালের মনের ক্ষোভ তুলে এলাকাবাসি/ছাত্ররা বলেন, ২০১৭ ইং স্থাপিত সাল থেকে এ পর্যন্ত এই মাদ্রাসায় একজন ছাত্রও আল কোরআনের ৩০ পারা মুখস্ত বিদ্যাপাঠ পর্যন্ত যেতে পারে না। 

অভিভাবকগণ; একজন হাফেজের পিতা/মাতা হওয়ার আশা নিয়ে মাদ্রাসায় সন্তান ভর্তি করে থাকেন। এ হুজুরের অমানুষিক বেত্রাঘাঁত সইতে না পেরে ১৫/২০ পারা পড়তে না পড়তেই চলে যেতে বাধ্য হয় শিক্ষার্থীরা। হুজুর ছাত্রকে মারার পর কাউকে কিছু না বলে গোপনে মাদ্রাসা থেকে সরে গাঁ ঢাকা দিয়েছেন। 


এমন নির্যাতিত হুজুরের শাস্তিযোগ্য বিচারের দাবি জানান এলাকাবাসি। সর্বশেষ ছাত্রর পিতা থানায় অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।


মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাত্রর অভিভাবকের সাথে মিমাংসার চেষ্টা করছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post