#https://www.youtube.com/@mntvjashore3078

মনিরামপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় মামলা, বাদি বিপাকে

 মনিরামপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত  বিষয়ে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় মামলা, বাদি বিপাকে 




মোঃ ওয়াজেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ


যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ভোজগাতি ইউনিয়নের দেলোয়বাটি গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে  আপন ভাইকে ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার ঘটনায় মনিরামপুর থানায় মামলা করে বিপাকে পড়েছেন জেলেখা বেগম নামের এক ব্যক্তি। মামলার বাদি গনমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছন,আসামিগন বাদিপক্ষকে মামলাটি তুলে নিতে নানাধরনের হুমকি-ধামকি অব্যাহত রেখেছে। এ নিয়ে বাদিপক্ষসহ তার পরিবার চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। যে কোন সময় আসামিগন তাদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে বলে তারা আশাংকা করছে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে এলাকাবাসি জানিয়েছন। 

উল্লেখ্য, মনিরামপুরের ভোজগাতী ইউনিয়নের দেলোয়াবাটি গ্রামের আঃ লতিফের স্ত্রী জেলেখা বেগম (৫৫ ) বাদি হয়ে গত ৬ আগষ্ট  মনিরামপুর  থানায় ৫ জনকে অাসামী করে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। 

আসামিরা হলো- দেলোয়াবাটি  গ্রামের আঃ লতিফ' র ছেলে সেলিম রেজা (৪০), আটপাখিয়া গ্রামের ইসমাঈল হোসেনের ছেলে জসিম উদ্দিন ( ৩৪),দেলোয়াবাটি গ্রামের সেলিম রেজার ছেলে সাকিব হাসান (১৮) ও সেলিম রেজার স্ত্রী খাদিজা বেগম (৩২), এবং একই গ্রামের মৃতঃ সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে আশরাফ আলী ( ৫০)।  

বাদি এজাহারে উল্লেখ করেছেন যে,আসামি সেলিম রেজার সাথে সম্পত্তি জোরপূর্বক ভাগাভাগী করে নেওয়াকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদীন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এ কারণে আসামিগন প্রায় সময় আমাকে খুন-জখমের হুমকি দিত।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ৩ আগষ্ট  আনুমানিক বিকাল ৩ টা ৪০ মিনিটের সময় আমার বাড়ির উত্তর পাশের পাকা রাস্তার উপর দিয়ে আমার ছোট ছেলে শাহিন ( ২৭), যাওয়ার সময় উল্লেখিত আসামিদের হাতে ধারালো চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে আমার ছেলেকে পথ রোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। তখন আমার ছেলে আসামিদের গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আসামি আশরাফ আলীর হুকুমে  আসামি সেলিম রেজার  হাতে থাকা ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে আমার ছেলের মাথায় কোপ দিয়ে মাথার মাঝ বরাবর গুরুত্বর রক্তাক্ত কাটা জখম করে। পুনরায় কোপ মারিলে ওই কোপ তার মাথার ডান পাশে লেগে গুরুত্বর রক্তাক্ত কাটা জখম হয়। সে সময় আসামি জসিম উদ্দীনের হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয় আমার ছেলেকে খুন করার উদ্দেশ্যে আঘাত করিলে ওই আঘাত তার মাজায় থাকা টার্চ মোবাইলে লেগে তার স্কীনটি ভেঙ্গে যায়। 

তখন আমার ছেলে মাটিতে পড়ে গেলে আসামি সাকিব হাসানের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে তার ডান কানের পাশে ও মাথার পিছনের অংশে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। ওই সময় আসামি খাদিজা বেগম আমার ছেলেকে কিল,ঘুষি,লাথি মেরে নিলাফোলা জখম করে। সে সময় আমার ছেলের ডাকচিৎকার শুনে আমি ঘটনাস্থলে গেলে সব আসামিরা মিলে আমার সমস্ত শরীরে এলোপাতাড়ি কিল,ঘুষি ও লাথি মেরে আমাকে নিলোফোলা জখম করে। তখন আমাদের ডাকচিৎকারে এলাকাবাসি ছুটে আসলে আসামিগন পুনরায় আমাদেরকে খুন-জখমের হুমকি দিয়। তখন উপায় না পেয়ে আমার মেয়ে মিনা পারভীন ৯৯৯ এ ফোন করলে মনিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমাদেরকে  উদ্ধার করে মনিরাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।

এ বিষয়ে বাদিপক্ষসহ তার পরিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post