#https://www.youtube.com/@mntvjashore3078

যশোরে মামলার সাক্ষীকে মারপিট

 যশোরে মামলার সাক্ষীকে মারপিট এ্যাড. রুহিন বালুজকে শোকজ



মোঃ ওয়াজেদ আলী স্টাফ রিপোর্টার


যশোরের আইনজীবী রুহিন বালুজের বিরুদ্ধে একটি মামলার সাক্ষীকে মারপিট করে জখমের অভিযোগ উনঠেছে। একইসাথে ওই সাক্ষীকে ইয়াবা দিয়ে চালান ও চাঁদাবাজি মামলার আসামি করার ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে। ভূক্তভোগী মাহাবুবের শরীরে মারপিটের চিহ্ন স্পষ্ট রয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনজীবি সমিতি অভিযুক্ত এ্যাড. রুহিন বালুজ কে শোকজ করেছেন।

এসব অভিযোগ এনে বুধবার জেলা আইনজীবী সমিতিতে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ঝিকরগাছা উপজেলার সোনাকুড় গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে মাহাবুর রহমান। অভিযোগ পাওয়ার পর জেলা আইনজীবী সমিতি রুহিন বালুজকে কারণ দর্শানের নোটিশ দিয়েছে। তাকে আগামী তিনদিনের মধ্যে ওই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। মাহাবুরের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার সকাল ১০টায় একটি যৌতুক মামলায় সাক্ষ্য দিতে তিনি আদালতে আসেন। কিন্তু শুনানি না হওয়ায় তার সঙ্গী আমিরুল ইসলাম ও আব্দুল হান্নানকে নিয়ে ১নং আইনজীবী ভবনের চতুর্থ তলার ২৪ নম্বর কক্ষে তাদের পরিচিত আইনজীবী আহাদ আলী লস্করের চেম্বারে যান। পাশের ২৩ নম্বর কক্ষটি রুহিন বালুজের। ২৪ নম্বর কক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কথা শেষে বের হওয়ার পরই অজ্ঞাত পরিচয়ের কয়েকজন তাদেরকে জোরপূর্বক রুহিন বালুজের চেম্বারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মাহাবুর যেতে না চাওয়ায় রুহিন বালুজ তার চেম্বার থেকে লাঠি নিয়ে বের হয়ে এসে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে বেধড়ক মারপিট করে জখম করেন। এ সময় মাহাবুরকে ইয়াবা দিয়ে চালান ও চাঁদাবাজি মামলা দেয়ার হুমকি দেন রুহিন বালুজ। সমিতিতে দেয়া অভিযোগের সাথে মাহাবুরের শরীরে জখমের ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে।

সমিতিতে অভিযোগ দেয়ার পরপরই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নেন জেলা আইনজীবী সমিতি। ওইদিনই তাকে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। নোটিশে বলা হয়, এ ধরনের কর্মকান্ড সমিতির গঠনতন্ত্র বিরোধী। যা সদস্যপদ বাতিলযোগ্য অপরাধ। এতে করে সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। কেন তার সদস্যপদ বাতিল হবেনা তা জানতে চেয়ে আগামী তিনদিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট রুহিন বালুজ মিডিয়াকর্মীদের কাছে বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি পাল্টা অভিযোগ দেন মাহাবুরের বিরুদ্ধে। বলেন, মাহাবুর সাক্ষ্য দেয়ার জন্য বাদীর কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেন। কিন্তু সাক্ষ্য না দিয়ে টালবাহানা করছেন। এ কারণে তার দুইজন সহকারী মাহাবুরকে ডাকার সময় ধস্তাধস্তি  হয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post