চোখ উঠা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি,কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত
আব্দুল্লাহ আল মামুন
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চোখ উঠা রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। পদ থাকলেও দীর্ঘদিন মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই চোখের ডাক্তার। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চোখ উঠা রোগিদের। ছোঁয়াচে এ ভাইরাল ইনফেকশন রোগ দেখা দিয়েছে মনিরামপুর উপজেলা ব্যাপী। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে বিরুপ আবাহাওয়ার কারনে চোখে চোয়াচে ভাইরাল ইনফেকশন দেখা দিচ্ছে।এ রোগে চোখ ফুলে লাল আকৃতির হয়ে যায়। চোখে ব্যথা ও চুলকায়। প্রচন্ড ব্যথা করে। তবে এই রোগ এক সাপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।পরিবারে একজনের মধ্যে এই রোগ দেখা দিলে সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। তবে চিকিৎসা নিলে এক সাপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।গত কয়েকদিন ধরে মনিরামপুর উপজেলায়
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মনিরামপুর পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ড বিজয়রামপুর মদিনাতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার ছোট ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এই রোগে আক্রান্ত।
অনেক শিক্ষার্থী চোখ উঠা রোগের কারণে স্কুল মাদ্রাসা মক্তবে আসছে না। তবে এই রোগে ছোট বড় বৃদ্ধ সবাই আক্রান্ত।
মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পদ থাকলেও চোখের ডাক্তার না থাকায় বিপাকে চোখ উঠা রোগিরা । অনেকেই বাধ্য হয়ে জেলা শহর সহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য ছুটছেন। মনিরামপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন আমার ছেলে মাদ্রাসা লেখাপড়া করে চোখ উঠার পর তাকে বাড়িতে নিয়ে এসছি। বিজয়রামপুর মদিনাতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন মাদ্রাসার মক্তব ও নুরানী বিভাগের অনেক শিশু চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত অনেকে রোগের কারণে মাদ্রাসায় আসছে না।
