মণিরামপুরের ঢাকুরিয়া-কুয়াদা ও ঢাকুরিয়া-সতীঘাটা রাস্তা পাকা রাস্তাটি চলাচলে অনুপযোগী: জনদুর্ভোগ চরমে: অবহেলিত রাস্তা নিয়ে যেন কারও কোন মাথা ব্যথা নেই
মামুন-উর-রশিদ সাজু: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া-কুয়াদা ৬ কিলোমিটার ও ঢাকুরিয়া-সতীঘাটা ৭কিলোমিটার পাকা রাস্তার বেশির ভাগই জায়গায় পিচ, খোয়া-বালি উঠে অসংখ্যা ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।
এ রাস্তাটি ঢাকুরিয়া-কুয়াদা হয়ে যশোর শহরে মিলেছে। ঢাকুরিয়া ও হরিদাসকাটি ইউনিয়নের কমপক্ষে ১৫/১৬ টি গ্রামের লোকজন এ রাস্তা দিয়ে যশোর শহরে যাতায়াত করে। ঢাকুরিয়ার সাথে যশোর শহরের সরাসরি একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা ও এলাকার মানুষের একান্ত নির্ভরশীল অবহেলিত রাস্তা নিয়ে যেন কারও কোন মাথা ব্যথা নেই। রাস্তা খারাপ হওয়ায় এলাকার মানুষ যশোর শহরে যেতে দারুণ দুর্ভোগের শিকার হয়। সে কারণে রূপদিয়া দিয়ে যশোর শহরে যেতে হয়। ফলে একদিকে যেমন অতিরিক্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তা বেশি ঘুরতে হয় অন্যদিকে তেমনি অধিক ভাড়াও গুণতে হয়।
এ রাস্তায় প্রতিদিন শত শত ইজিবাইক, সিএনজি, ভাড়াবাহী মোটরসাইকেল, ভ্যান, নসিমন, আলমসাধুসহ হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। এছাড়াও সড়ক সংলগ্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকুরিয়া কলেজ, ঢাকুরিয়া প্রতাপকাটি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা, বোয়ালিয়া ঘাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই রাস্তা দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসা- যাওয়া করে।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, এলাকায় কোন অগ্নিকান্ড ঘটলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়। এ কারণে মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এলাকার বেশির ভাগ মানুষ কৃষি নির্ভরশীল। তাদের উৎপাদীয় ফসল বাজারে নিতে একদিকে যেমন চরম ভোগান্তির শিকার হয় অন্যদিকে তেমনি মালামাল বাজারে নিতে অধিক খরচ হয়। পাশাপাশি এলাকার চাকরিজীবি, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ লোকজন সময়মত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে না। রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় এলাকার সকল স্তরের মানুষের চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। তাই ভুক্তভোগীরা রাস্তা সংস্কারের জোর দাবী জানিয়েছেন।
