গোপালগঞ্জের আমিনুল ইসলামের প্রতরণার ফাঁদে পড়ে নিশ্ব মনিরামপুররের নজরুল ইসলাম
টুঙ্গিপাড়া গোপালগঞ্জের আমিনুল ইসলামের প্রতরণার ফাঁদে পড়ে নিশ্ব মনিরামপুররের নজরুল ইসলাম তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সহ প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করেন।
২৫ লক্ষ টাকা প্রতারণা করেছে টুঙ্গীপাড়া গোপালগঞ্জের আমিনুল ইসলাম সর্দার। অবশেষে নিশ্ব নিরুপায় হয়ে সাংবাদিকদের সামনে আসতে বাধ্য হলেন মনিরামপুর উপজেলার মোঃ নজরুল ইসলাম। ২০১৯ সালে রুস্তম আলী মারফত আমিনুল ইসলামকে ধাপে ধাপে ২৫ লক্ষ টাকা প্রদান করে নজরুল, বিষয়টি ছিল পার্টনারের ব্যবসা। বড় বড় নেতাদের ছবি দেখিয়ে নাম ভাঙ্গিয়ে নজরুলের কাছ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ার এই প্রতারক আমিনুল ইসলাম। সে চাকরি দিতে চেয়েছিল এসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানি পুলিশ কনস্টেবল বিভিন্ন ব্যাংক ও এন এস আই ডিপার্টমেন্টে। সে টাকা নিয়েছিল ব্যাংক একাউন্টে ও এস এ পরিবহন ও বিভিন্ন বিকাশ নাম্বারে তার একাধিক মোবাইল নাম্বার রয়েছে পরিশেষে কিছুই করে দেয়নি। দীর্ঘ ৩ বছর মনিরামপুর উপজেলার নজরুল ইসলাম তার পিছে পিছে ঘুরছে। অবশেষে কোন সমাধান না পেয়ে যশোর কোর্টে মামলা করে নজরুল তারিখ ১৬ /০৬/ ২০২২ মামলাটি cid তদন্ত কেন্দ্র প্রক্রিয়া আছে। নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন আজ আমি নিঃস্ব সবকিছু হারিয়ে আমি আজ ফকির, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি আমি আমার টাকা ফেরৎ চাই ।সেই সাথে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে দাবি জানায় cid তদন্ত কেন্দ্র যশোর জেলা আবেদন জানায় যেটা সঠিক সত্য সেটা তদন্ত করে কোর্টে জমা দিন। আমি যদি সুষ্ঠু বিচার না পায় তাহলে আমি নিজের গায়ে নিজে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করব। আমার এই আত্মহত্যার জন্য দায়ী থাকিবে রুস্তম আলি ফকির ও মোঃ আমিনুল ইসলাম।
